গণমাধ্যমে প্রচারিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠান থেকে লিখিত এক বক্তব্যে বলা হয়েছে, “সংবাদটি আমাদের গোচরীভূত হয়েছে। প্রগ্রেসিভ লাইফ এবং কোম্পানির সম্মানিত পরিচালক মহোদয়গণসহ কতিপয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের নামে কোম্পানির সাবেক অবসায়নকৃত/অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জহির উদ্দিন এর বরাত দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা কোম্পানির জন্য অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক বটে। মোঃ জহির উদ্দিন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের মাধ্যমে পত্রিকায় সংবা প্রকাশ করেন যার কোন সত্যতা নেই। অধিকন্তু কোম্পানির কোন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ বা যাচাই-বাছাই না করে শুধুমাত্র একজন অভ্যসগত অপরাধী, অর্থলোপাটকারী ও মুখোশধারী একাধিক কোম্পানি হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তার সাজানো ঘটনার উপরেই কাল্পনিক বিষয়ের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।”
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আমিন স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে আরো বলা হয়- প্রকৃত সত্য ঘটনা হলো, সাবেক অবসায়নকৃত/অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ জহির উদ্দিন কে আর্থিক অনিয়ম এবং অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডের সত্যতা পাওয়ায় বিগত ৩১শে জুলাই, ২০২৩ইং তারিখে অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের জরুরী সভার সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তক্রমে অত্র কোম্পানির চাকুরী থেকে তাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। ইতিপূর্বেও তিনি হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডে কর্মকালীন সময়ে বিভিন্ন দূর্নীতি, প্রতারণা, অর্থ-আত্নসাৎ, পরিচালককে হুমকি-ধমকি এবং শেয়ার জাল-জালিয়াতি সংক্রান্ত বিষয়ে জড়িত থাকায় বিগত ১৫/০২/২০১৭ইং তারিখে তাকে চাকুরী থেকে অবসান/অব্যাহতি প্রদান করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। হোমল্যান্ড লাইফে ১০৪ কোটি টাকা আত্নসাতের তদন্তে দূর্নীতি দমন কমিশন গত ২৭/০২/২০২৪ খ্রি: তারিখে জহির উদ্দিনকেও তলব করেন। প্রগ্রেসিভ লাইফ থেকে অবসান/অব্যাহতি প্রদান করার পর থেকেই ব্যক্তিগত আক্রোশ:বশত কোন প্রকার দালিলিক প্রমাণ ব্যতীত কোম্পানির বিপক্ষে ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন সংস্থা ও সংবা মাধ্যমে মিথ্যাচার করছেন যা অত্যন্ত ঘৃনিত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও আইন বর্হিভূত আমরা যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এই বিষয়ে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর বক্তব্য হলো-
সাবেক কোম্পানি সচিব মোঃ জহির উদ্দিন সচিব পদ ব্যতীত নিয়ম বর্হিভূত ভাবে কোম্পানির আরও ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালন কালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন এবং তার বিরুদ্ধে অর্থ-আত্নসাতের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। কোম্পানির হিসাব-নিকাশ ও দেনা-পাওনা নিস্পত্তি সাপেক্ষে ছাড়পত্র গ্রহণের জন্য তাকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া সত্বেও তিনি কোম্পানির সঙ্গে যোগযোগ না করে বিভিন্ন প্তরে অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছেন এবং কোম্পারিনর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলাও করেছেন। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আপোষ মিমাংসার ভিত্তিতে জনাব জহির উদ্দিন কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলাসমূহ প্রত্যাহার করে নিবেন মর্মে তার যুক্তিসঙ্গত পাওনাদি পরিশোধ সাপেক্ষে অবমুক্তির সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। অদ্যাবধি তিনি কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সমূহ প্রত্যাহার না করে এবং কোম্পানির সাথে কোনরূপ যোগাযোগ না করে মিথ্যা ও মনগড়া বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মোঃ জহির উদ্দিন কর্তৃক কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা সমূহ সর্বৈভ মিথ্যা ও বানোয়াট বানোয়াট প্রমানিত হওয়ায় অধিকাংশ মামলা সমুহ আদালত কর্তৃক ভৎসনা সাপেক্ষে মামলাগুলো(সাইবার ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-১৫৩/২০২৩ এবং সিআর মামলা নং-৩৮২/২০২৪) খারিজ করে দেন।আরও উল্লেখ্য যে, তিনি সর্বত্রই নিজেকে কোম্পানির সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালনক ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দাবী করেন যা তার স্বঘোষিত এবং কোন প্রকার দালিলিক প্রমাণ নেই। এই সকল পদবীর ক্ষেত্রে এনআরসি কমিটি, এক্সিকিউটিভ কমিটি ও বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত এবং নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কোন অনুমোদন নেই।
এ জাতীয় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।











