আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার ক্ষেত্রে নতুন একটি শর্ত যুক্ত হতে যাচ্ছে। এখন থেকে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে মার্কিন ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ জমা দিতে হবে।
সোমবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি বা এরপর থেকে যেসব বাংলাদেশি নাগরিক ব্যবসা বা পর্যটন (বি১/বি২) ভিসার জন্য চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হবেন, কেবল তাদেরই এই বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২১ জানুয়ারির আগে যাদের কাছে বৈধ ভিসা ইস্যু করা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এই নতুন শর্ত কার্যকর হবে না।
বন্ড পরিশোধের নিয়ম ও সতর্কতা মার্কিন দূতাবাস বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যে, কোনো আবেদনকারী যেন সাক্ষাৎকারের আগে বন্ডের অর্থ পরিশোধ না করেন। আগাম অর্থ পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা প্রদান করে না। এছাড়া তৃতীয় পক্ষের কোনো প্রতারণামূলক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দূতাবাস আরও স্পষ্ট করেছে যে, সাক্ষাৎকারের আগে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হলে তা ফেরতযোগ্য হবে না। তবে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ শেষে ফিরে এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডের পুরো অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
সাধারণত ভিসার শর্ত ভঙ্গ করে নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে বেশি অবস্থান করা ঠেকানোর একটি কৌশল হিসেবে এই ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থার কথা ভাবা হয়। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, ভ্রমণকারী নির্দিষ্ট সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে আসবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই বন্ডের সর্বোচ্চ পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা (বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী)।
এসএইচ











