বীমা খাতকে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে-এস.এম জিয়াউল হক

এস এম জিয়াউল হক। দায়িত্ব পালন করছেন জীবন বীমা খাতের চতুর্থ প্রজন্মের কোম্পানি চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে। বাংলাদেশের বীমা খাতের  এই তরুণ- উদ্যোগী, গতিশীল ও পেশাদারিত্বের অগ্রদূত হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অপারেশনাল দক্ষতা ও নৈপুণ্যতার মধ্য দিয়ে বীমা ব্যবসার সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ক্ষুদ্র ও গ্রুপ বীমাসহ বিভিন্ন সেক্টরে বীমার ব্যাপক প্রসার ঘটিয়েছেন।

এস এম জিয়াউল হক  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং  বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করছেন।  তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে লোকপ্রশাসন বিভাগে বি.এস.এস (সম্মান) এবং এম.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করেন। একইসঙ্গে মানব সম্পদ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী এবং ফিন্যান্স বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। বীমা পেশায় উচ্চতর ডিগ্রী হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লোমা (এলওএমএ) ইনস্টিটিউট থেকে এফএলএমআই  এবং রি-ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে এআরএ ডিগ্রী অর্জন করেন। এমনকি তিনি ভারত,  মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে বীমা বিষয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন।  তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের একজন নিবন্ধিত গ্র্যাজুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং লিডারস ফোরাম বাংলাদেশর আজীবন সদস্য। তিনি বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক।

জিয়াউল হককে  দক্ষিণ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স সেক্টরে অসামান্য নেতৃত্বের অবদানের জন্য  “সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড” ২০২২ পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও তিনি লিডার্স ফোরাম বাংলাদেশ থেকে লিডারশিপ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড” ২০২১ এ ভূষিত হয়েছেন।  তিনি “বাংলাদেশ সি-স্যুট অ্যাওয়ার্ডস” ২০২৪  বর্ষসেরা ‘চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) হয়েছেন।

চার্টাড লাইফের আগে জিয়াউল হক আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (মেটলাইফ) এবং  প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

সম্প্রতি দেশের বীমা খাত ও কোম্পানির নানা কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেছেন ইকোনমিবাংলার সাথে। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন- শাহাদাত হোসেন

ইকোনমিবাংলা :  আপনি জীবন বীমা সেক্টরকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন  কেন?

জিয়াউল হক : পড়াশুনা শেষ করার পর পাইভেট সেক্টরে চাকুরী করার জন্য বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমি কাজ করার আগ্রহ দেখাই। পরবর্তীতে আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (মেটলাইফ) ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাই। সেখানে বীমা পেশার যাবতীয় কার্যক্রমগুলো সরাসরি অবলোকন করার পর অনুপ্রাণিত হই।  আমি উপলদ্ধি করি বাংলাদেশে  বীমা পেশার গুরুত্ব। তখন থেকেই একজন একনিষ্ঠ বীমা কর্মী হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয়ী হই এবং জীবন বীমাকে পেশা হিসেবে বেছে নেই।

ইকোনমিবাংলা : বাংলাদেশ বিমা খাতের ভবিষ্যত কী?

জিয়াউল হক :  বাংলাদেশের বীমা খাত  আরো বিকশিত হবে। বর্তমানে যেই ব্যবসা হয় তার চেয়ে ১০ গুন বেশী ব্যবসা করার সম্ভবনা রয়েছে। যদি সঠিক কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি সেক্টরের প্রতি আরো  সুদৃষ্টি দেয়। বীমা সেক্টরে যোগ্য কাউকে  নেতৃত্ব আসতে হবে এবং নেতৃত্ব দিতে হবে। প্রতি বছরে তাদের ভিশন থাকতে হবে। আগামী ৫ বছরের বীমা সেক্টরের ভিশন কি সেই লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। সবচেয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ’র (আইডিআরএ) কাঠামোতে বড় পরিবর্তণ প্রয়োজন। এখানে যারা নেতৃত্বে আসেন তারা তিন বছর পর চলে যান- এই সেক্টরে স্থায়ী না হওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদী ও স্থিতিশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ হয়না। আইডিআরএ নিয়েও সরকারকে পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

অপরদিকে, বীমা সেক্টরে যে সকল উদ্যোক্তরা আছেন-  তারা এই পেশায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায়  শুধু বিনিয়োগ করেছেন। বীমা বিষয়ে তাদের সময় দেয়া এবং ধৈর্য় দিয়ে আরো বিকশিত করা-  সেই জায়গাটা ফোকাস করতে পারেন নাই। যার ফলে খাত দূ্র্বল হওয়ায় ভালো রির্টার্ন না আসায় তারাও বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়েছেন। বীমা সেক্টরে যে কর্মীরা কাজ করছে তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে। বেশিরভাগ কর্মীর প্রতিশ্রুতির  জায়গায় গ্যাপ আছে, অপরিপক্বতা আছে এবং পেশাদারিত্বের অভাব আছে। সে জায়গা পূরণ করতে হবে। কিছু সংখ্যক লোক ভালো করছে বীমা সেক্টরে, আরো ভালো করতে হবে।

বীমা সেক্টরে যারা গ্রাহক- তাদের কাছে বীমার কোন প্রয়োজনীয়তা নাই। এদেশে এখনো মানুষ বাধ্য হয়ে কিংবা প্রভাবিত হয়ে বীমা করে। ‘প্রতিটি মানুষের জন্য বীমা’- এখনো এমন প্রয়োজনীয়তা তৈরী করতে পারি নাই।  বহি:বিশ্বে বীমা  প্রথম অগ্রাধিকার- কিন্তু আমাদের দেশে বীমাটা শেষ অগ্রাধিকার। সেই জায়গা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়ার পাশপাশি  ‘বিমা দাবি সমস্যা’ সমাধান হলে,  ৯০ শতাংশ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। ফলে বিমা খাত সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে।

ইকোনমিবাংলা :  চার্টার্ড লাইফ অন্য কোম্পানির চেয়ে ব্যতিক্রম কেন এবং আপনাদের ব্যবসা পলিসি কী?

জিয়াউল হক : চার্টার্ড লাইফ গ্রাহকের  সেবা দিতে কমিটেড। আমরা প্রযুক্তিগতভাবে সমন্বয় করে নিয়েছি। আমরা যদি আইন মেনে চলি এবং আইন কে সম্মান দেখাই তাহলে অন্য কিছুর দরকার হয়না। আমাদের আইডিআরএকে এবং কোম্পানীর পরিচালকদের গাইড লাইন ফলো করতে হবে।অন্যান্য নিয়ন্ত্রন সংস্থাকে ফলো করতে হবে। আমরা বিনিয়োগ নীতিমালা ফলো করি এটা আমাদের ব্যবসা পলিসি।

ইকোনমিবাংলা : চার্টার্ড লাইফের কতটি শাখা এবং গ্রাহক সংখ্যা কত?

জিয়াউল হক : সারাদেশে চার্টার্ড লাইফের বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার গ্রাহক এবং সোয়া দুইলাখ গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স নিয়ে ৮৮টি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সেলস অফিস, ব্রাঞ্চ অফিস এবং ইউনিট অফিস সহ সারাদেশে ৬৭টি অফিস রয়েছে। আমরা শতভাগ ক্লেইম পরিশোধ করেছি।

ইকোনমিবাংলা : চার্টার্ড লাইফের বর্তমান অবস্থা কী?

জিয়াউল হক : বাংলাদেশের বীমা শিল্পে তিন থেকে চার টি কোম্পানী প্রযুক্তিগত ভাবে শক্ত অবস্থানে আছে। চার্টার্ড লাইফ তাদের মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে চার্টার্ড লাইফ তার প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলস্বরুপ গ্রাহকদের সকল রকমের সেবা সঠিক সময়ে পেমেন্ট, বীমা দাবী নিষ্পত্তি এবং কর্মীদের যাবতীয় কমিশন ও অন্যান্য সুবিধা দ্রুততার সাথে প্রদান করছে। ৫ বছর আগে আমি ২২ কোটি টাকার সম্পত্তি পেয়েছি এই কোম্পানিতে। আমি আসার পর আমাদের বর্তমানে প্রায় ১১২ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে।

ইকোনমিবাংলা : চার্টার্ড লাইফ কী ব্যাংকান্স্যুরেন্সে অংশগ্রহণ করেছে?

জিয়াউল হক :  ব্যাংকান্স্যুরেন্সে বীমা খাতে এক ধরনের আত্নবিশ্বাসের জায়গা তৈরী হবে। গ্রাহক ডাইভারসিটি পাবে যে শুধু একটা ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল না- ব্যাংকও বীমা বিক্রি করছে। মানুষের আস্থা এবং কোয়ালিটির জায়গা পরিবর্তন আসবে। চার্টার্ড লাইফ দুটি ব্যাংকের অনুমতি পেয়েছে।  এনসিসি ব্যাংক ও ই্উসিবি ব্যাংকের সাথে আমাদের চুক্তি হযে আছে। ব্যাংকান্স্যুরেন্সে মাধ্যমে বীমা খাতে মৌলিক এবং ব্যবসায়িক পরিবর্তন আসবে।

ইকোনমিবাংলা : চার্টার্ড লাইফ নিয়ে আপনার ভাবনা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা  কি?

জিয়াউল হক: চার্টার্ড লাইফ চতুর্থ প্রজন্মের একটি কোম্পানী। যা বর্তমানে ১১ বছর পেরিয়ে ১২ বছরে পদার্পণ করেছে। চার্টার্ড লাইফের পরিচালনা পরিষদের দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিচালকদের কারণে বর্তমান নেতৃত্ব চার্টার্ড লাইফকে নতুন ভাবে বাংলাদেশ বীমা শিল্পে এক নতুন রূপ দিচ্ছে, যা গত বছর খানেকের কার্যক্রমে দেখতে পাই। ব্যবসাস সম্প্রসারণ, নতুন কর্মী নিয়োগ, দ্রুত গ্রাহকসেবা প্রদান, নতুন নতুন বীমা পরিকল্প উদ্ভাবন ও বাস্তবায়ন এবং পরিশেষে বীমাকে প্রতিটি স্তরে স্তরে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়ে চার্টার্ড লাইফ ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে চার্টার্ড লাইফ বাংলাদেশের বীমা শিল্পে একটি নেতৃত্ব স্থানীয় অবস্থানে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

ইকোনমিবাংলা : প্রথম বর্ষ পলিসি তামাদি হার নিয়ন্ত্রণের উপায় কি?

জিয়াউল হক : বীমা পরিকপ্লের শুরুতেই বীমা কর্মী নিজে ১ম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে নবায়ন প্রিমিয়ামের জন্য বীমা গ্রহীতার সাথে বীমা কর্মীর যোগাযোগে আগ্রহ না থাকার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় প্রিমিয়াম ফলোআপ হয়না। ফলে অটোমেটিক পলিসি তামাদি হয়ে যায়। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে ব্যাংকান্স্যুরেন্সের সহযোগিতার মাধ্যমে নবায়ন প্রিমিয়াম বৃদ্ধি করা যেতে পারে।  ব্যাংকান্স্যুরেন্সের মাধ্যমে পলিসি তামাদি হার কমে আসবে। যেমন- মোবাইল এসএমএস এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের অ্যাপস “চার্টার্ড প্রিয়জন” মাধ্যমে পলিসি গ্রহীতা নবায়ন প্রিমিয়াম জমা দিলে বীমা কর্র্মীর উপর নির্ভরশীলতা কমে যাবে। বীমা কোম্পানীকে নিয়মিত ভাবে বীমা গ্রহীতাদের কে নোটিফিকেশন পাঠাতে হবে। তাছাড়া ১ম বর্ষ কমিশন এবং নবায়ন কমিশনের মধ্যে একটা ব্যাপক পার্থক্য থাকায় বীমা কর্মীদের নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহের প্রতি অনাগ্রহ থাকে। আমার মতামত হচ্ছে, বীমাগ্রহীতাকে বীমার প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে পারলে পলিসি তামাদি হার নিয়ন্ত্রনে আসবে এবং কমিশনের সঠিক ডিসট্রিবিউশন হলে বারবার কর্মীরা গ্রাহকের কাছে ফিরে যাবে।

ইকোনমিবাংলা : বিমা খাতে ডিজিটালাইজ  গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- কিভাবে দেখছেন আপনি?

জিয়াউল হক : আমরা আমাদের গ্রাহক কে ডিজিটালের মাধ্যমে সেবা দিয়ে আসছি। আমরা সহ কয়েকটা বীমা কোম্পানী ডিজিটালের মাধ্যমে ভালো সেবা দিচ্ছি এবং ভালো আউটফুট পাচ্ছি।  যারা এটার প্রতি আগ্রহ দিতে দেরী করেছে তারা পিছিয়ে গেছে।সকলকে ডিজিটালাইজ আসতে হবে। তখন ম্যানেজমেন্ট খরচ কমবে, গ্রাহকরা ভালো সেবা পাবে। গ্রাহকের কাছে আত্নবিশ্বাস তৈরী করার জন্য এবং কোম্পানীর আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য ডিজিটালাইজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের চার্টার্ড লাইফের এ্যপস আছে “চার্টার্ড প্রিয়জন” এই এ্যপসের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা পাচ্ছে।

ইকোনমিবাংলা : বিমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে আপনাদের উদ্যোগ কী?

জিয়াউল হক:  বীমার প্রধান সংকট হচ্ছে ম্যাচিউরিটির টাকাটা যথাসময়ে না দেয়া। কোম্পানিকে ডিজিটালাইজড করা এবং গ্রাহকের সুবিধা অনুযায়ী বিমা দাবি পরিশোধ ব্যবস্থা অর্থাৎ মোবাইল ব্যাংকিং এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠানো। গ্রাহক দাবি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় না। পলিসি ম্যাচিউরড হওয়ার সাথে সাথেই টাকা দিয়ে দিচ্ছি। বিমা খাতে আগ্রহ ফেরানোর জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সভা সেমিনার করছি এবং কর্মীদেরকে সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে আরও দক্ষ করে তুলছি।

ইকোনমিবাংলা : বিমা খাতের জন্য কোন বিষয়গুলোকে চ্যালেঞ্জ মনে করেন?

জিয়াউল হক: বিমা দাবি যথাসময়ে পরিশোধ না করার কারণে মানুষের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারনা তৈরি হয়েছে এই নেতিবাচক ধারণাটি আরও বেশি করে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। কোম্পানিগুলো ডিজিটালাইজড হতে হবে। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে হবে যাতে গ্রাহক নিজেই তার সব কিছু দেখতে এবং বুঝতে পারে। বীমা দাবি নিয়ে গ্রাহকদের সাথে কথার গরমিল হওয়া। এ বিষয়গুলো খাতের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখতে পাচ্ছি।

এসএইচ