এলএনজির মজুতশূন্যতায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ, তীব্র হচ্ছে গ্যাসসংকট

দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্যাসসংকটের মধ্যে মহেশখালীতে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে বিদ্যুৎ ও পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এলএনজির কোনো নতুন কার্গো বা মজুত না থাকায় বুধবার বিকেল ৩টা থেকে টার্মিনালটি থেকে সরবরাহ স্থগিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে দেশজুড়ে চলা চলমান গ্যাসসংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সামিটের টার্মিনালটি চালু থাকলেও এলএনজি মজুতের সংকটে এক্সিলারেটের টার্মিনাল সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ ক্রয়পদ্ধতিতে চলতি মাসে যে চারটি কার্গো আসার কথা ছিল, তার একটিও নির্দিষ্ট সময়ে এসে পৌঁছায়নি। ফলে কারিগরিভাবে টার্মিনাল প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

বর্তমানে দিনে দেশে ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সাধারণভাবে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়ে থাকে, যার মধ্যে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট আসে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে। কিন্তু সাম্প্রতিক অচলাবস্থায় আমদানিকৃত গ্যাসের সরবরাহ কমার পাশাপাশি বুধবার এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোট সরবরাহ মাত্র ২১৮ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সামিটের টার্মিনালের জন্য একটি নতুন এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর কথা থাকলেও এক্সিলারেট টার্মিনালের জন্য আগামী ২৩-২৪ আগস্টের আগে কোনো কার্গো আসার সম্ভাবনা কম। ফলে আগামী কয়েকদিন গ্যাসের চাপ কম থাকায় বাসা-বাড়ি, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানায় ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

ইকোনমি/ এসএইচ